Posts

Showing posts from November, 2019

কত কতা আলইহে মনে

কত কতা আলইহে মনে পুবকোলায় হাল চইতে চইতে তোরে সামনে পাইয়াও আমি পারলামনারে মনের কতা কইতে।। তোরে লইয়া ভাবি দিনে রাইতে কত নকশা হরি তোরে মোর নিজের কইরয়া পাইতে। কাম কাইজ হয় আউলা-জাউলা পারিনা ঘুমাইতে।। আইজগোই কমু ভাবি পেত্তেকদিন সামনে পাইলে সব ভুইল্লা যাই, মাতা হরেরে ঝিনঝিন না যদি তুই মোর হবি ক্যা আও উদবাগ বাড়াইতে?।।

ওমাঝি ভাই কোম্মে যাও ওই রঙ্গিলা পাল উড়াইয়া?

ওমাঝি ভাই কোম্মে যাও ওই  রঙ্গিলা পাল উড়াইয়া? এই পারে আও মোরেও তুমি আনো এট্টু ঘুরাইয়া।। তোমার নাওয়ের ওই বাদামে লাগলে জোরে হাওয়া হাল ধইরয়া বইয়া থাকপা লাগবে না নাও বাওয়া বৈঠা জোরে চালাও যদি যাইবেরে দোম ফুরাইয়া।। তোমার লগে বানছি মাঝি আমার পরানডারে তোমার আমার এই বন্ধন থাকেপে জীবন ভরে মোরে লইয়া যাওরে মাঝি অজানায় হারাইয়া।।

সিদা মানুষ মোরা, আরে মেজাজ মোগো কড়া

সিদা মানুষ মোরা, আরে মেজাজ মোগো কড়া সাগর পাড়ের জেলা মোগো খাল নদীতে ভরা আরে কোন অভাব নাই, মোরা সুখেই আছি ভাই কাম কাইজ হরি মোরা, আনন্দে কাডাই প্যাচ-গোজ বুঝিনা মোরা, কারে ধার না ধারি (আরে) আইতে যাইতে নদী মোগো বরিশালে বাড়ি।।   বিশাল বিশাল লঞ্চে মোরা রাজধানীতে যাই খাওন দাওন সবজি আনাজ তাজা তাজা খাই ইলিশ মাছ আর বালাম চাউল  মোগো জেলায় ভালো জ্বরজারি হইলে মোর খাইযে হডির পালো।।   দেহাই যতই রাগ - মোগো দেলডা যে নরম ধানাই-পানাই দেকলে হয় মোগো মাতাডা গরম কাম না থাকলে, হুনি মোরা পুথি জারি গান বুড়া-বুড়ি মোগো জেলায় খায় হাদাইদ্দা পান।।

আমার এগান যদি ভালো লাগে বন্ধু

আমার এগান যদি ভালো লাগে বন্ধু তবে মনে রেখো, মনে রেখো আমারে।। কন্ঠ সুধায় একদিন সুর তুলে অন্তমিলে অনুভূতি ফুল তুলে গেথেছি মালা, অর্ঘ তোমায় দিয়েছি ভক্তি ভরে।। স্মৃতির পাতায় অনেক দিনের পরে হঠাৎ কখোনো কোন অসময়ে মনে যদি পড়ে মোরে।। ভেবেনিও তুমি, ছিলেম তোমার আপন তুমি আমি মিলে হয়েছিলেম দুজন। এই বন্ধন অটুট থাকুন জনম জনম ধরে।।

চেরা খাতার ফুডা দিয়া কাল ঢোকেযে গায়।

শীতের কালে খাতার তলে কাল লাগেরে গায় হাড় কাপাইন্না শীতে বুরা-বুড়ির পরান যায়। খাজুরের রস পাওয়া যায় শীতের বেইন্নাহালে চুই-চিতই-ভাপা পিডা জোডে যে কফালে পুহুরের কাল পানিতে নাইম্যা নাওন দায়।। কোলা ভাইঙ্গা হাচরা মাছ ধরে যে সবাই চ্যাং, পুডি, খইলশা, কই, হৌল কত্ত সীমা নাই   হগল সালুন মজা লাগে ধুইন্না পাতায়।। যাত্রা, জারি, পুতি, পালা, হয় সবই শীতকালে কুডা জালাইয়া আগুন পোয়াই সন্ধাহালে আনাজপাতি শীতের কালে ভালোই পাওন যায়।। চেরা খাতার ফুডা দিয়া কাল ঢোকেযে গায়। শীতের কালে খাতার তলে কাল লাগেরে গায় হাড় কাপাইন্না শীতে বুরা-বুড়ির পরান যায়। https://www.youtube.com/watch?v=TQdv1tbPXio

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান তোমার স্মৃতি এই বাংলায় ভালোবাসায় বহমান।। গহীণ অন্ধকারে তুমি জ্বলে ওঠা রবি উত্তাল জনসভার তুমি বিদ্রোহী কবি পরাধীন এই জাতিরে দেখালে বিজয় সম্মান।। নির্যাতিতের তরে, সয়েছো অত্যাচার ছিনিয়ে আনতে মুক্তি, ভেঙ্গেছো রুদ্ধদ্বার, আজো স্মরি মোরা শ্রদ্ধাভরে হে কালজয়ী মহাপ্রান।। কথা ও সুর: জহুরুল হাসান সোহেল

শুনতে কি পাও লাখো শহীদের আর্তনাদ?

শুনতে কি পাও লাখো শহীদের আর্তনাদ? স্বাধীনতা হয় যদি কারো তরে নষ্ট হোক প্রতিবাদ, হোক প্রতিবাদ।। প্রানের চেয়ে প্রিয় স্বদেশভূমি মাটির মমতা ঘেরা আমি-তুমি দুর্নীতিবাজ সেতো ঘুণের মত করে দেবে সব বরবাদ।। সন্ত্রাসী নয় কারো আপনতো নয় মাটি হবে কলুষিত তারা যদি রয় প্রয়োজনের একসাথে সবাই মিলে হানতে হবে প্রতিঘাত।

শনিবারে যামুরে বারইজ্যার হাটখোলা

ও দুদু, শনিবারে যামুরে বারইজ্যার হাটখোলা নাইলে যামু মঙ্গলবারে ঝরঝইরয়া তলা। হাডে বেচমু শুবারি মুই বিশ কুড়ি দুই ঘা কেরেসত্যাল কিণ্ণা আনমু ছত্তি দুই পোয়া খিদা লাগলে কিন্না খামু ভাজা গুলগুল্লা।। আনাজ পাতি হরমু বাজার, আনমু জালের কাডি মায়ের চহির লইগ্গা আনমু একটা শীতল পাডি আরো কিনমু রান্দাবারির গরম মশল্লা।।

নাই ‍তুমি নাই, এ ধরায় আর কিছু নাই

নাই ‍তুমি নাই, এ ধরায় আর কিছু নাই। আনন্দ কোলাহল, আলো হাসি প্রাঞ্জল ম্লান সবই ম্লান লাগে তাই।। এই তো সেদিন হাতে হাতে কত যে মধুর বৃষ্টি ভেজানো রাতে অপরুপ মিলনের সুর ধরায় স্বর্গ সুখে বিভোর দুজন চোখ মেলে দেখিতে না পাই।। যাবার সময় কেন এলো যে ত্বরিতে  সবইতো রইলো পড়ে ছড়িয়ে যে পথে। আর কি হবে, দেখা কভু দুজনের সাথে মিলবে কি সেই পথ, হাটছি দুজন যেই পথে অজানা আশায় দোলে এই মন উত্তর খুজে নাহি পাই।।

চলেই যাবে যদি

চলেই যাবে যদি কেন ফুল  ফোটালে  বাগান জুড়ে হেটেই চলে যেতে   কেনগো আবার তাকালে ঘুড়ে। এ তোমার ভারী অন্যায়; মালা গেঁথে ভুলে যাও পড়ে থাকে সে মালা ধুলায় কালের হিসেব যদি নাইবা মানো; কেন এলে? রইতে দুরে।। রক্ত পলাশ সেতো লাল; বুকে তার রক্তের ধারা বয় অনন্তকাল। কেউ কি পেয়েছে দেখা  তার? অনুভবে রয় সে মুড়ে।। https://youtu.be/tyoQ6CZaJ1o

ভাল কাজই সঙ্গী হবে, অন্ধকার কবরে।

আপন কেহ থাকবে নারে সবাই গেলে ছেড়ে ভাল কাজই সঙ্গী হবে, অন্ধকার কবরে।। দুই দিনের এই দুনিয়াতে কত লোভ লালসা চাকরীতে ঘুষ দুর্নীতির আর অসৎ ব্যবসা হচ্ছে ভারী পাপের বোঝা, ও তুই ভাবলি নারে ।। ঠকবাজি আর মিথ্যাচারের চলছে যে রাজনীতি জনগন ঠকাতে করো মিথ্যা রীতিনীতি পরকালে খোদার নীতি পাল্টাবি কি করে?।। যাবার সময় ঘনিয়ে এলো, সময় বেশী নাই হাশর মেলায় করবো সদায়, কড়ি কোথায় পাই হাসান বলে এই দুনিয়ায় কামাও দুহাত ভরে।

আল্লাহ পাকের দরবারে সিজদা করে দেখ

নামাজ পড়ে মিলবে কি? মাথা ঝুকিয়ে দেখ আল্লাহ পাকের দরবারে সিজদা করে দেখ।। ভাগ্যবান সেই বান্দা, যিনি রোজ পড়েন নামাজ মুমিন বান্দার রুহু আলো করে এই নামাজ শয়তানকে অনেক দুর করে দেয় এই নামাজ অন্তরকে আল্লাহর তালার গোলাম বানিয়ে দেখ।। সব ভালো কিছুর বরকত বাড়ায় এই নামাজ   আল্লাহতালার শান শওকত দেখায় এই নামাজ আল্লার সাথে বান্দার দেখা করায় এই নামাজ আল্লাহকে দেখবি? আয় জায়নামাজ বিছিয়ে দেখ।। মুনকার নকীর কবরে সাওয়াল করিলে বান্দার হয়ে নামাজ সব জওয়াব দিয়ে দিবে কবর আজাব মাফ হবে রোজ পড়লে নামাজ ওই রব্বুল আলামিনের প্রেমে মশগুল হয়ে দেখ।। রব্বুল আলামিনের এক উপহার এই নামাজ ক্ষমা এবং নাজাতের, শিড়ি এই নামাজ ঐ জান্নাতের দরজার চাবি এই নামাজ সব মিলে যাবে নিজ্কে নামাজী বানিয়ে দেখ।। রব্বুল আলামিন তিনি মালিক ও তিনি রহিম রহমান আর গাফ্ফার তিনি সকল ইবাদতের হকদার তিনি নারাজ হয়ে না যান, বান্দা ঐ খোদাকে দেখ।। সাবরি ব্রাদার্সের একটি কাওয়ালীর অনুকরনে লেখা।

রোজ হাশরের ময়দানে

রোজ হাশরের ময়দানে শেষ বিচার হবে যেদিন পাই যেন তোমার দয়া হে দয়ার মালিক সেদিন। পার করো ওহে দয়াময় পার করো আমারে। তুমি বীনে নাই কেহ মোর এ ভব সংসারে   তোমার দয়ায় কাটে যেন সকল দুর্দিন।। রহিম রহমান তুমি জলিল জব্বার পাপী-তাপী এই গুনাহগার বান্দাযে তোমার দাও হেদায়াত, মাফ করো নাই উপায় তুমি বীন।।

ইয়া মুহাম্মাদ নবী আমার তোমায় ভালোবাসি

ইয়া মুহাম্মাদ নবী আমার তোমায় ভালোবাসি তুমি মোদের পথ দেখালে এই ধরাতে আসি।। তোমার প্রেমে পাগল হল সকল মাখলুকাত তোমার নামে দরুদ পড়ে সবাই দিবা রাত করতে অনুসরন তোমায় হই যে অভিলাষী।। তোমার নামে বরকতে এই ধরা আলোকিত তোমার বানী তোমার চলন সবই অনুসৃত   তুমি হলে সেই বাতিঘর, চির অবিনাশী।।

ইয়া রাসুলআল্লা তোমায় লাখো সালাম জানাই

ইয়া রাসুলআল্লাহ তোমায় লাখো সালাম জানাই তোমারি উম্মত যে মোরা, শুকুর করি তাই। আদম থেকে এই ধরাতে যত নবী এলেন তোমায় মহান আল্লাহ; “সর্বশ্রেষ্ঠ” খেতাব দিলেন তোমায় ছাড়া রোজ হাশরে মোদের উপায় নাই।। মন যে আমার যায় ছুটে যায় তোমারি রওজায় দিবা নিশি ব্যাকুল হয়ে তোমার দিদার চায় রহমাতাল্লিল আলামিন, তুমি এই ধরায়।। 

উম্মতের কান্ডারী আমার নবী কামলিওয়ালা

আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসুলআল্লাহ আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবিবআল্লাহ উম্মতের কান্ডারী আমার নবী কামলিওয়ালা দরুদ সালাম জানাই ইয়া সাল্লিওয়ালা।। উম্মতকে ভালোবাসায় নাইতো তোমার জুড়ি নিজে কস্ট সয়ে ভালো চাও যে উম্মতেরি জাহেলী ঘুচিয়ে ধরা করিলে উজালা।। (যখন) নিজের তরে ব্যস্ত সবাই ঐ কঠিন হাশরে কাঁদোতুমি উম্মতেরই ক্ষমা লাভের তরে উম্মত আমার ক্ষমা করো ইয়া আল্লাহতালা।।

বন্ধুর প্রেমে পাগল হইয়া ঘুরি যে রাস্তায়

বন্ধুর প্রেমে পাগল হইয়া ঘুরি যে রাস্তায় যেখান দিয়া বন্ধু আমার আসে আবার যায় পথ আমার সাথী এখন এই বিশ্ব নিখিলে বন্ধুয়ায় কামড় দিছে দিলে।। তারে আমার লাগে এখন দৃষ্টি সীমানায় খাবি খাই মাছের মতোন যদি আড়াল যায় সে ছাড়া আন্ধার তেমন, যেমন চোখ বুজিলে।। কেমন কইরা কি হইলো, বুঝলাম না একবার বেহায়া মনটা এখন নাইরে আর আমার বাঁচা দায় এই দুনিয়ায় তারে না পাইলে।।

ও চাঁদ তুমি যতই জোছনা ঢালো

ও চাঁদ তুমি যতই জোছনা ঢালো, আমার প্রিয়া রুপের ছটায় ম্লান হবে ঐ আলো।। আঁধার যতই থাকনা ধরায় ঘিরে আমি তাহার মাঝেই রইবো ওগো হাজার আলোর ভীড়ে। প্রেমের সুধায় বিভোর রবো সেইতো হবে ভালো।। দুচোখ পানে শুধুই চেয়ে চেয়ে এই জীবনের মানে গেছি পেয়ে। সূর্য্য যতই থাকনা দূরে দূরে সে ছাড়া কি এই ধরাতে জীবন বাঁচতে পারে? সেযে আমার তেমনি ওগো সঞ্জীবনী আলো।।

লক্ষ মায়ের সম্ভ্রমে আর লক্ষ প্রানের দামে

লক্ষ মায়ের সম্ভ্রমে আর লক্ষ প্রানের দামে বিজয় এলো এই বাংলায় শহর নগর গ্রামে। বিজয় এলো ফুল ফুটিয়ে সুবাস নিয়ে বিজয় দিলো গুন গুনিয়ে গান শুনিয়ে বিজয় এলো যার হাতটি ধরে আমরা সবাই চিনি তাকে বঙ্গবন্ধু নামে।। বিজয় এলো রঙধনু রং রাঙিয়ে আকাশ বিজয় দিলো প্রেম মাখিয়ে ফাগুন বাতাস বিজয় এলো যার হাতটি ধরে আমরা সবাই চিনি তাকে বঙ্গবন্ধু নামে।। https://www.youtube.com/watch?v=zlUn0nij4Lo

শোন ভাই টাট্টু ঘোড়ায় পাড়লো সোনার ডিম

শোন ভাই টাট্টু ঘোড়ায় পাড়লো সোনার ডিম সবাই যখন জানতে পেলো ডিমটারে সব দেখতে এলো সবাই এসে দেখলো সে এক আজব ঘোড়ার ডিম।। দেখতে সে নয় ডিমের মত আজব গড়ন তার পিটপিটিয়ে তাকায়, গায়ে রংচংয়ে বাহার এক পা দিয়ে ঘোরে, যেন জ্যান্ত এক লাটিম। ঘুমায় যখন চোখ খোলা তার জেগে স্বপন দেখে। রাতের বেলায় গোসল করে  চাঁদের জোছনা মেখে। নয়কো এসব গল্প গুজব,  খায় সে কচি সিম।। সুরকার জহুরুল হাসান সোহেল https://www.youtube.com/watch?v=3wN0NzC5uN0

শালিক পাখি ডাকছে দেখ ডাকছে যে চড়াই

শালিক পাখি ডাকছে দেখ ডাকছে যে চড়াই দোয়েল, ফিঙে, টুনটুনিটার খুশীর সীমা নাই।।   বুলবুলিটা এ ডাল সেডাল করছে ছুটোছুটি    মাছরাঙ্গাটি মাছ ধরতে করছে লুটোপুটি বাবুই পাখি দুলে দুলে গান ধরেছে তাই।। বক পাখিটা এক পায়ে ঠায় দাড়িয়ে আছে বিলে সারা আকাশ দিচ্ছে টহল ওই সোনালী চিলে দুপুর রোদে ঘুঘু পাখির আওয়াজ শুনতে পাই।।

ওই দুর আকাশে মেঘের সাথে মন যে হারায়

ওই দুর আকাশে মেঘের সাথে মন যে হারায় দিগন্তের ওই দুর অজানায় হাত যে বাড়ায় উড়ে উড়ে যায় এই মন খোজে তোরে সারাক্ষন।। তোর পরশ যে মিশে আছে সোনা রোদের ছোঁয়ায় মাতাল বাতাস তোকে ছুঁয়ে তোর সুবার ছড়ায় দেখছি একা তোকে নিয়ে সুখেরই স্বপন।। মেঠো পথের ধুলায় ধুলায় খুশীর মাখামাখি তোর সুরেতে কন্ঠ মিলায় বনের অচিন পাখি সে গান শুনে খুশীতে আজ মনযে উচাটন

কাউয়ায় ময়ুরের লেজুর আইছে লাগাইয়া

কাউয়ায় ময়ুরের লেজুর আইছে লাগাইয়া পাছায় লাথি দিলেই করে কা কা কা।। মেকাপ-টেকান নিছে দেহায় ময়ুরের লাহান হাডার সোমায় হাডে ছিনা কইরয়ারে টান টান যত কতা জিগাও সে তো মুখ করে না হা।। সকল খানে সবসময়ে থাকে উপস্থিত লাজ শরমের বালাই নাইরে, নাইরে গ্রীস্ম শীত ঠেলতে ঠেলতে ষ্টেজে যায়, নাইরে যোগ্যতা।। তেল মারিয়া বেড়ায় সেযে,পাল্লা যেদিক ভারী মুখখানা হয় লোভে লোলুপ, পাইলে পাশে নারী চাঞ্চ খোজে সে কখন দেবে ঘসা লাগাইয়া।। খেয়াল করো আছে সে জন তোমার আশে পাশে কইশ্যা মারো লাথি, যদি তোমার কাছে আসে হাসান বলে বেসুরা গান শুনিতে পাবা।। https://www.youtube.com/watch?v=8OUN8fhXNjE

আমি তোমার প্রেমের অনুরাগী

আমি তোমার প্রেমের অনুরাগী তোমার দয়া চাই দয়াময় রহিম রহমান তোমায় দয়া কোথায় গেলে পাই।। খুঁজি তোমায় দ্বারে দ্বারে পথে আর প্রান্তরে সাগরে পর্বতে খুজি শহরে বন্দরে দেখা তোমার পাইনা, জানি রইয়াছো সদাই।। অন্তরে ঠাই নিছো নাকি আসমানের উপরে গীর্জা প্যাগোডাতে নাকি মসজিদে মন্দিরে, তোমায় স্মরি পলে পলে তোমার দিদার চাই।।

আমি কথা কই না বলে, সবাই বোবা বলে

আমি কথা কই না বলে, সবাই বোবা বলে আমি; কেন হইলাম জীবন্ত মরা সুখের ধরায় অনলেতে কেন গেলাম জ্বলে?।। কতগানে ছন্দে ভরা ছিল এই জীবন (আমার) কত ফুলের সুবাসেতে সুবাসী এই মন আমি যেথায় ঘুরি যারে ধরি যেখায় যে কৃষি কাজ করি সবই সোনা ফলে।। (তবু)।। হইল দেখা তোমার সাথে সুখের সীমা নাই আমি স্বর্গটারে আপন করে এই ধরাতে পাই আমার নাই কোন দুখ নাইরে অসুখ দেইখা দেইখা তোমার চাঁনমুখ সব গিয়াছি ভুলে (তাও)।। হঠাৎকরে একদিন দেখি তুমি পাশে নাই আমি তন্নতন্ন করে খুজি, তোমারে না পাই কেন্দে কেন্দে বহাই নদী বুকে মরু চোখ জলধী   জ্বলে অন্তর জ্বলে আমি তাই হইলাম………।।

আমি জনম দুখী হইলামরে বন্ধু ‍

আমি জনম দুখী হইলামরে বন্ধু ‍ এই ধরাতে আইসা রে, আমার জ্যান্ত মরা জীবন হইলো তোরে ভালোবাইসা।। কলিজাটা হইয়াছে কালো জানি বিষে নিশ্চিত মৃত্যু, তাও লাগে ভালো আমি পথ ছাড়িয়া বিপথে যাই কাটার আঘাত পাইতে রে।। স্বভাব কি আর যায় রে সহজে জানিয়া শুনিয়াও সবাই তাই প্রেমে মজে যেমন স্বর্গেতে থাকিয়াও পিতায় গন্ধমে মজিলো রে।।