Posts

Showing posts from July, 2019

সঠিক ভাবে দেশ চালাতে আয়করের বিকল্প নাই

সঠিক ভাবে দেশ চালাতে আয়করের বিকল্প নাই সময় মত হিসেব করে আয়কর দিন সবাই।। দেশের উন্নয়নের কথা ভাবুন ভাই সকলে থাকবে না আর কোন অভাব সবাই আয়কর দিলে দেশের উন্নয়নের তরে সবার শরীক থাকা চাই।। সকল আয়ের হিসেব দেবো আয়করের অফিসে বৈধ হবে আয় সকলের চিন্তা কর কিসে? আয়কর অফিস মোদের অফিস এটাই সবার ভাবা চাই।।   ডিজিটাল এই বাংলাদেশের আমরা জনগন অনলাইনে ই-টিন খোলার আছে প্রয়োজন সবাই মিলে ই-টিন খুললে আর তো কোন চিন্তা নাই।।

এবার ভাঙলো আসর চল যাই

এবার ভাঙলো আসর চল যাই অনেক সময় হল, এলো যে বিদায় ক্ষন নাই আর সময় তো নাই।।। যুগে যুগে এমনি করে একদিন সব শেষ হয় খেলা শেষে সেই খেলাঘর আঁধারেতে রয় ঢেকে রয় সে ঘরে স্মৃতি গুলো সব, আঁধারে হাড়িয়ে যায় আর কভু দেখা নাহি পাই।। এ মোনের গহীনে যে সব, থরে থরে রবে সাজানো সে বীনার মলিন তারেই, সেই সুর যাবে বাজানো আসবে সুখের স্মৃতি দু:খ বেদনা নিয়ে চোখের কোনেতে নেবে ঠাই।

অনেক দিনের পরে, হঠাৎ করেই

অনেক দিনের পরে, হঠাৎ করেই  আবার দেখা হয়ে গেল। হঠাৎ আঁধার কেঁটে আলোর ঝলক যেন চোখটা ধাঁধিয়ে দিয়ে গেল। কত কথা কত স্মৃতি  কত সুধা কত প্রিতি মনে পড়ে যায়, বুকে বাজে হায় করুন রাগিনী যেন সুর তুলে গেল।। নতুন করে বাজে সে সুরের বীণ বাঁধ ভেঙে ছুটে যায় মন ফিরে পেতে চায়    হারানো সে দিন। যত চাই দুরে যেতে পারিনা তারে ফেরাতে মন মানে না, সেতো মানে না ধুধু মরু আজ যেন জল খুজে পেল।।

সত্যি করে বলোতো তুমি

সত্যি করে বলোতো তুমি, কখোনো কি বেসেছিলে ভালো? কখোনোকি আমাকে ভেবেছো আপন? কভুকি স্মৃতি প্রদ্বীপ জ্বালো?।। এখন আর নেই তো কোন কারন মিথ্যে গোপন করে রাখতে। এখন আর নেই তো কোন বাঁধা সত্য আড়াল করে ঢাকতে। যদি করো ছলনা,তাই তুমি বলনা এখন সত্যি বলা ভালো।। বুঝিনি কখোনো, রঙ্গিন পর্দায় সব কিছু ছিলো যে আড়াল ভালোবাসা নামে কঠিন রোগে   দৃষ্টিটা ছিলো বেসামাল আজ তুমি বহুদুর, অচেনা বাশির সুর বেসুরে বাজুক সেই ভালো।।

তুমি একটি দেশ (বঙ্গবন্ধু)

তুমি একটি দেশ তুমি বাংলাদেশ তুমি কোটি বাঙ্গালীর চেতনা নাম তুমি বঙ্গবন্ধু তোমাকে জানাই সালাম। তুমি অমানিশাতেই জ্বালাও সূর্য দ্বীপ তুমি হতাশার মাঝে মোদের আশা প্রদীপ। তুমি প্রেরনা তুমি লক্ষ্য তোমার পথেই আমরা সফলকাম।। তুমি দুর্দমনীয় অসীম মহাপ্রান তুমি পর্বতসম উন্নত মহীয়ান তুমি সত্তা তুমি শক্তি তুমি এজাতির পরম পুণ্যধাম।।

তোর লোভের তরে ভুগছে হায়রে (দুর্নীতি)

তোর লোভের তরে ভুগছে হায়রে  কত জনগন; দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর  তোর নেইরে বিবেক? নেইরে মন?।। ভুলে গেছিস দায়িত্ব তুই?  বিবেক গেছে মরে? সব ভুলে তুই টাকার গোলাম  হলি কেমন করে? নিচ্ছ যাদের কষ্ট দিয়ে  ওরাই তো তোর মা, ভাই, বোন।। এক জীবনে কত খাবি? এটা ভেবে রাখ দুদিন পবে আসবেরে তোর ওপারেরই ডাক। টাকায় তো আর বস মানেনা ওই পারের মহাজন।। ধর্ম কর্ম যতই কর, যাকে কষ্ট দিবি,  মাফ যদি সে না করে হায়  কেমনে মাফ পাবি। দুই চার দিন আয়েশ করে জ্বলবি রে তুই আজীবন।

তোমার এক ইশারায় মনটা আমার

তোমার এক ইশারায় মনটা আমার  তোমার পানে ধেয়েছে এখন আমার কথা শোনে না সে, তোমার গোলাম হয়েছে।। তোমার বিনে টাকার গোলামটা যে  ছুটছে তোমার পিছে আমি যতই তাকে ফেরাতে চাই সব হয়ে যায় মিছে। এখন শূন্য বুকে ঘুরছি আমি এমন দশা হয়েছে।। হায় কেমন করে বলি আমি  এটাই আমার মন বেহায়া এই মনটা আমায় জ্বালায় সারাক্ষন ঘর ছেড়ে আজ আমায় নিয়ে  পথের মাঝে এসেছে।।

কুয়াশা চাঁদরে ঢাকা মায়াবী সন্ধ্যা (শীতকাল)

কুয়াশা চাঁদরে ঢাকা মায়াবী সন্ধ্যা শীতল ভালোবাসায় কাছে টেনেছে । উৎসবে মাতে মন , পিঠেপুলি আয়োজন বাঙালীর দ্বারে শীতকাল এসেছে।। খালিমাঠে জোনাকিরা আলো ফেরি করে কৃষকের মুখে হাসি , গোলা গেছে ভরে পাটালি গুড়ের ঘ্রানে নেশা ধরেছে।।। হিম হিম জলাধার শান্ত শীতল ঘাসের ডগায় হাসে শিশিরের জল। এক সাথে বসে আগুনের চারিধারে আলাপে ব্যাস্ত সব লেপ কম্বল পড়ে অতিথি আগমনে মুখর হয়েছে।।

সব সময়েই প্রতিদান পাওয়া যায় না।

সব সময়েই প্রতিদান পাওয়া যায় না। মাঝে মাঝে উজার করে দেবার তা দিতে হয় তখন বিনিময় চাইতে হয় না।।   বুকে করে কত জল নদী বয়ে যায় জল বীনে নদী; সেকি হয় কভু হয়? সেই জল উজাড় করে জলধিকে করে দান নদী তার প্রতিদান চায় না।। কিছু ধন থাকে যে এমন যত দাও আরো দাও, কমেনা সে ধন।। প্রেমকে বিলাও যদি সবার মাঝে হয় যদি ভালো সব, তোমার কাজে জীবন তাহলে মধুর হবে কাঙ্খিত এ জীবন, সবার জীবনে সেতো হয়না।

হঠাৎ পথে, আবার কখোনো যদি দেখা হয়ে যায়

হঠাৎ পথে,  আবার কখোনো যদি দেখা হয়ে যায় তুমি চিনতে কি পারবে আমায়? খুব জানতে ইচ্ছে হয় চিনতে কি পারবে আমায়?।।   কতটা সময় যে গো কেটেছে কতনা সুখে  কত স্মৃতি, কত সুখ, কত গান ছিলো মুখে চোখ ভরা স্বপ্নেরা স্বপ্ন সুধুই রয়ে যায়।।   সেই যে নিঠুর ঝড়ে ভাঙ্গল সুখের নাও সেই সে বেদনাটাকে, কখোনো কি টের পাও? হৃদয়ের কোন কোনে রেখেছো কি তুমি আমায়?

পথের শেষে আসবে যখন বিদায়

পথের শেষে আসবে যখন বিদায় নেবার বেলা দিন ফুরিয়ে আসবে যখন, ভাঙবে সকল খেলা তখন শুধুই হিসেব করার থাকবে সময়; কবি।। বেসুরো গান গাইবে গানের পাখি অচিন সুরে দুর অজানায় তোমায় যাবে ডাকি অস্ত যাবার বেলায় কি আর ওঠে কভু রবি? যা লিখেছো তেমন করেই রবে শুধরানো বা আবার লেখার সময় কি আর হবে? বদলাবেনা কিছুই তখন তেমনি রবে সবই।

আল্লাহ তোমার দয়া চাই

আল্লা হ তোমার দয়া চাই রোজ হাশরে তুমি বিনে কোন ‍উপায় নাই।। সুখ শান্তির মায়ায় পড়ে মানিক ফেলে কাঁচকে আমি নেই যে আপন করে দিন দুনিয়ার লোভে পড়ে তোমায় ভুলে যাই।। পাপি আমি বান্দা তোমার ভুল করি হর রোজ   দিনের শেষে একা হলেই তোমার করি খোঁজ। তুমি ত্রাতা রহিম রহমান তোমার দয়ার হয়না তো শেষ সেযে অফুরান মালিক তুমি, তোমার কৃপা সেদিন যেন পাই।।

নিঝুম রাতের শান্ত নদী

নিঝুম রাতের শান্ত নদী আমি কুলে একা একজন ঐ কুলে পুর্ণিমা চাঁদ আকাশে এই কুলে অসীম আঁধার, আমার আপন।। আমি শুনি নিরবধি নদীর হুতাশ আমার চতুর্পাশে করুণ বাতাস নিস্বঙ্গতা শুধু সঙ্গী আমার দুখের বাসর ঘর করছি যাপন।। আমি দেখি শূন্যেরা আঁধারে হাড়ায় মলিন জীবন বোধ স্মৃতি হাতড়ায় রঙিন সুখেরা সব সাদা কালো সেজে জীবন মঞ্চে করে অভিনয় এখন।

পাঁকা ধানের চাঁদর মোড়া (হেমন্ত)

পাঁকা ধানের চাঁদর মোড়া  সোনা রঙের ক্ষেতে মনটা আমার উড়ে উড়ে চায় হাড়িয়ে যেতে।। নীল আকাশে রৌদ্র মেঘের  চলে মধুর খেলা  অপরুপ সে রুপের মায়ায় কাঁটে সারা বেলা সোনার ধানের ঘ্রানে ঘ্রানে মন ওঠে যে মেতে।। কুয়াশাতে ঘেরা সাঁঝে  দূরে মাদল বাজে হাস্নাহেনা শিউলি সুবাস বাতাসে বিরাজে হেমন্তের এই মায়ার পলে সোনার এই বাংলাতে।।

শ্রাবনের মেঘে মেঘে (বর্ষা)

শ্রাবনের মেঘে মেঘে ঢেকে আছে আকাশটা আজ বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে গাছের সবুজ পাতা  সেজেছে নবরুপ সাজ।। মাঠ ঘাট থই থই  ভরা নদী বহে ওই  দুকুল ভাসিয়ে যেন সেজেছে কুলবধুর সাজ।।  কেন মন উচাটন  জানিনা সে কি কারন কোন সে করুন সুরে  হৃদয়টা কাঁদে যেন আজ।।

রিমঝিম নুপুরের ছন্দে (বর্ষা)

F রিমঝিম নুপুরের ছন্দে বৃষ্টি এলো যে বনান্তে ভেজা ভেজা চারিধার শান্ত কালো মেঘ ঢেকেছে দিগন্ত।। টুপটাপ চুপচাপ পড়ছে অবিরাম বর্ষা ঝড়ছে বসে বসে জানালায় ক্লান্ত কালো মেঘ ঢেকেছে দিগন্ত।। দিনরাত হাতেহাত বসে ঠায় ভেজামন অনুক্ষন যে হারায় সবুজে ছেয়েছে বনান্ত কালো মেঘ ঢেকেছে দিগন্ত।। https://www.youtube.com/watch?v=0tYstqMb0Lg

কাঁদছে বাঙ্গালী কাঁদছে এ দেশ (বঙ্গবন্ধু)

কাঁদছে  বাঙ্গালী  কাঁদছে  এ দেশ এল ফিরে শোকের সে মাস বাংলার আকাশ আজ শোকে বিহ্বল হাহাকার করে ওই করুন বাতাস।। পুরাতন শকুনেরা এক হয়েছে বাংলার হৃদয়কে ছিড়বে বলে ঝাপিয়ে পড়েছে তারা হায়নার মত মায়ের রক্ত ধারা রুখবে বলে কলুষিত হল ওই স্বাধীন সূর্য আজ আঁধারে ঢাকলো যে আকাশ।। জাতির পিতার খুনে মাটি হল লাল ১৫ আগষ্টের এই যে দিনে উত্তাল সাগরে পলকা তরণী সম কাঁদে এই বাংলা নাবিক বীনে। তোমার দেখানো পথে এগিয়ে যাবোই মোরা বইবে আবার সুবাতাস।। সুরকারঃ জহুরুল হাসান সোহেল https://www.youtube.com/watch?v=v3TyGttmCzg

আইলে আইলো টুঙ্গিপাড়ায় এই জাতির কান্ডারি

আইলে আইলো টুঙ্গিপাড়ায় এই জাতির কান্ডারি লুৎফর রহমান সায়রা খাতুনের ঘরটা আলো করি শোষিত বাঙ্গালী জাতিরে তিনি করলেন ত্রান তিনিই এই জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান।। এই বাঙ্গালী জাতির মুক্তি ছিল তাহার পন জীবন যৌবন দেশের তরে করলেন সমর্পন বারে বারে জেল খেটেছেন বাজী রেখে প্রান।। বঙ্গবন্ধু তিনি, মোদের শোষিতেরই নেতা দুর্নীতি অনাচার রুখতে তিনি হলেন ত্রাতা   বিশ্বের কাছে উচু করলেন এ জাতির সম্মান।।

যত ব্যাথা যত সুখ তোমায় ঘিরে (আধুনিক)

যত ব্যাথা যত সুখ তোমায় ঘিরে বারে বারে আমি তাই এই গান গেয়ে যাই আসবো তোমার কাছে ফিরে ফিরে। তুমিতো শেখালে ওগো ফুলকে নতুন করে দেখতে তুমি অনুপ্রেরনা যে ভালবাসার এই গান লিখতে তোমার পানেই চেয়ে   দিন শেষে ফিরে আসি নীরে।। যদিবা কখোনো তুমি ভুলকরে ভুল বুঝে নাও দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে মোর পানে যদি নাহি চাও কত ভালোবাসি আমি   বোঝাবো তোমায় বুক চিরে।।

দুর্নীতি বিরোধী গান

দুর্নীতিবাজ ঘুষখোরদের মাররে লাথি আজ থেকে। অনেক খেল, আয়রে এবার সবাই মিলে বদলা নে।। নেই তো ওদের মা বাপ  ওরা টাকারই সন্তান; টাকার তরে দেশ বেচবে  নেই মান সম্মান। ওরা যেই পাতে খায় খানিক পরে ময়লা ঢালে সেই পাতে।। ওরা দেশ প্রেমিকের মুখোশ পড়ে হিসেবী দান সদকা করে জনসেবক নামটি ধরে  উচ্চে বসে রয় ফাঁটা বাঁশে আটকে গেলে  হুমড়ি খাবে পায়। ওরা মানুষ ভালো নয়। ঘুন পোকার মত ওরা  ঝাঝরা বানায় দেশ ওরা যতই খায় ততই চায়  নেইরে লোভের শেষ চল মুক্ত করি বাংলা মাকে ওদের কড়াল গ্রাস থেকে। https://youtu.be/vZObZmgBS6Y