Posts

Showing posts from January, 2019

বাংলা আমার মায়ের ভাষা তাতেই কথা বলি

বাংলা আমার মায়ের ভাষা তাতেই কথা বলি স্বাধীন দেশে স্বাধীন বেশে আনন্দে পথ চলি।। এমন মধুর ভাষা কোথাও নাই  মনের কথা করতে প্রকাশ সুখ যে অনেক পাই আনন্দে তাই মন বাগানে ফোটে ফুলের কলি।। সেই আবেশে রইযে পড়ে রই তোমায় আমার মনের কথা কই। প্রানের বীনায় বাজে করুন সুর কত ভাইয়ে রক্তে রেঙে বাংলা সুমধুর সেই ভাষারই অপমানে উঠবো আবার জ্বলি।।

রইবো আমি গুন গুনিয়ে তোমার ঠোটে ঠোটে

রইবো আমি গুন গুনিয়ে তোমার ঠোটে ঠোটে তুমি যখন একলা রবে এ গান তোমার সংগী হবে সুখ-দুঃখের কথা কইবে তোমার স্মৃতি পটে।। তোমার তরেই একলা একা মনের কথা লিখি সেই কথাতে সুর মিলিয়ে তাল মিলিয়ে দেখি তোমার তরে ছন্দে সুরে গানের মুকুল ফোটে।। রইবো নাকো যখন আমি পড়বে না আর মনে এ গান তোমার মনের কোনে ফিরবে সংগোপনে তোমার আমার এই বন্ধন যাবে নাকো টুটে।। https://www.youtube.com/watch?v=uFqZD80yv8s

কেউ রবেনা এই ধরাতে চিরকালের তরে

কেউ রবেনা এই ধরাতে চিরকালের তরে মিছে মায়ার ফাঁদে তবু রইযে সদা পড়ে।। সম্পর্কের মায়ায় পড়ি পড়ি ধনের লোভে সুখের মায়াতে ছুটে মোহে থাকি ডুবে লালসাতে সদাই ছুটি ভাসি কামের তোড়ে।। থামেনারে ঘরির কাটা যায় চলে যায় দিন হাসান বলে শুধবি কবে এজনমের ঋন খালি হাতে কেমনে যাবি মহাজনের ঘরে।।  

ও তোমার আপন ঘরে বসত করে অচেনা একজন

ও তোমার আপন ঘরে বসত করে অচেনা একজন তারে আপন ভাবা ভুল হবেরে শোনরে অবুঝ মন।। তোমার ঘরে বসি দিবা নিশি বাদ্য বাজাই চলে   তুমি সারা জীবন রিপুর কারন নাচ তাহার তালে ও সেই বাদ্য যখন থামবে হঠাৎ কি করবে তখন? কাম , ক্রোধ ,   মদ , মাৎসর্য , লোভ   এবং   মোহ ছয় সখারে তোমার মাঝে বসে সদাই রেখ। তবে পরিনামে মোক্ষলাভে আসবেরে সুক্ষন।।   হাসান বলে ঋপুর ছলে কে পড়ে না হায় সর্বদিকে খেয়াল করে চলো এই ধরায় চেষ্টা করো না পারিলে মুর্শিদে হও সমর্পন।।

যাইবার সময় আসিলে আর যাবেনারে থাকা

যাইবার সময় আসিলে আর যাবেনারে থাকা দিন দুনিয়ার মালিকেরে শুরু কররে ডাকা (ও মন)।। জীবন দিলেন যেই জন তার রাখছোনি খবর মত্ত রইলা দিনদুনিয়ার সুখ শান্তির উপর আখেরাতে পুলসিরাতে আমল তোমার ফাঁকা।। কোথায় হইতে কোথায় আইলা, কেমনে কি করিয়া? কোন কারিগর করিলো কোন কারখানায় বসিয়া? রঙ্গিন আলোর শোরুমে মাল, যায়না বেশী রাখা।। অসীম হইতো আইছো তুমি অসীমে মিলাবে যোগ বিয়োগ আর গুনভাগের ফল সময় মতো পাবে হাসান বলে কর্ম ফলে হয় কপালের লেখা।।

বরিশালের মানুষ মোরা গর্ব করি তাই (বরিশালের আঞ্চলিক গান)

G বরিশালের মানুষ মোরা গর্ব করি তাই মোগো মত ধান নদী খাল কোন জেলায় নাই এই জেলাতে আছে কত গুনী জনের বাড়ি গানে গানে শ্রদ্ধাভরে তাদের স্মরন করি।।   শেরে বাংলা ,  মহিউদ্দীন   জাহাঙ্গীর ,  অশ্বিনীকুমার রব সেরনিয়াবাদ ,  দেবেন   ঘোষ   আর   আবদুল   গাফফার হুমায়ূন   কবির , আরজ আলী , কুশুম কুমারী।।   আবু   জাফর   ওবায়দুল্লাহ ,  জীবনানন্দ   দাশ আবদুল   লতিফ ,  ফজলুল করিম , কবি   মুকুন্দ   দাস আলতাফ মাহমুদ , মেজর জলিল , অমরেন্দ্র ঘোষ আসাদ   চৌধুরী   আছে , আছে   বাকের   খান।।   কামিনী   রায় ,  অমৃত   লাল   দে ,   সুফিয়া   কামাল মনোরমা   বসু   মাসীমা , কবি   মোজাম্মেল হাশেম   আলী , হাতেম আলী , গনি বয়াতীর জারি।। https://www.youtube.com/watch?v=3PyxBzaqGnA

আভাস বন্ধু সবার

মানুষ কে দিতে হবে তার অধিকার বৈষম্যের হোক অবসান এবার উন্নয়নের আভাস নিয়ে আমরা দিলাম হাত বাড়িয়ে অসহায় নিপিড়িত বঞ্চিত জন আভাস বন্ধু সবার।। নারী পুরুষ হোক সমান   সমান ধনী গরীবের ঘুচুক ব্যবধান সকল সুবিধা হোক সবার তরে মানবতা স্থান পাক সর্বাগ্রে এ দেশের সকল শিশু বুঝে পাক সব অধিকার।। নয় কোন বৈষম্য   নয়তো বিভেদ কোন ধর্ম, বর্ন, গোত্র যা হোক মানুষ অভেদ জেন।। আইনের শাসনে হোক সুশাসন সম্পদ হোক সুসম বন্টন দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন এক সাথে করবো অভিযোজন সোনার বাংলা ভরে উঠবে সোনায় থাকবেনা দারিদ্র আর।।

তোর বিরহে কইলজা পুড়ে

তোর বিরহে কইলজা পুড়ে হইলো যে আঙ্গার তুই না জানিয়া ব্যথা দিয়া কান্দাইলি বারবার।। স্বপন মাঝে আইসা কান্দাও আসি জাগরনে  সুখের আশায় তোরে খুজি তুই পালাও গোপনে তুই বুঝিস কিনা কষ্ট আমার  বুকেতে ব্যাথার পাহাড়।। তোমার ধ্যানে নিরজনে কাটাই তোমার আশে তোমারে পাইবো বলে আসিলাম সন্যাষে আমি ঘর ছাড়িলাম ছারলাম আপন দুই কুলই গেল আমার।। হাসান বলে শান্তি মেলে ছাড়লে পাওয়ার আশা আশা পুরন আশা বাড়ায় সুখ হয় রে দুরাশা চিরদিন কেউ রয় কি ভবে? কাঁদবি কত মন আমার।।

নদীর দেশের মানু মোরা চারিদিগে নদী (বরিশালের আঞ্চলিক গান)

Em/Fm নদীর দেশের মানু মোরা চারিদিগে নদী সুগন্ধ্যা আর কির্তনখোলা বয় যে নিরবধী।। আইরয়াল খা; আগুন মুখা আর কালাবদর   বিষখালী; আর তেতুইল্লা; আছে বলেশ্বর লোহাইলয়া; ধানসিড়ি দেকতে চাও যদি।। ঘন্টেশ্বর, টরকী, কচা, ইলিশা আর লতা কালীগঙ্গা শ্রীমন্ত, সন্ধ্যা, হলতা ছবিপুর; নয়াভাঙ্গানী   হগল মোগো নদী।। কালিজিরা, আন্ধারমানিক, পায়রা দামোদর বিঘাই; কাজল; চাকামইয়া; চাওরা; দরিচর হিজলা; নীলগঞ্জ; শাহবাজপুর বরিশালের নদী।। https://www.youtube.com/watch?v=h6r7XZwXRfs

বরিশালে আইয়ো বন্ধু আইয়ো মোগো বাড়ি (বরিশালের আঞ্চলিক গান)

D# কীর্তনখোলার পারের জেলা মোগো বরিশাল আইতে নদী যাইতে নদী, কতযে বিল খাল। বরিশালে আইয়ো বন্ধু আইয়ো মোগো বাড়ি আদর আস্তিক করমুহানে মোরা যদ্দুর পারি।। মোডা চাউলের ভাত খাওয়ামু খোপের রাওয়া দিয়া দুর্গা সাগর গুইট্টার মসজিদ দেহামু ঘুরাইয়া কির্তনখোলা নদীডারে, সুগন্ধিয়া নদীডারে নাওয়ে দিমু পাড়ি।। মেয়াবাড়ির মসজিদ আছে, আছে অক্সফোর্ট মিশন উলাইন্নার চৌধুরি বাড়ি দেহার মতোন লাকুটিয়ার জমিদার বাড়ি, চাখার জাদুঘর কীর্তনখোলা সেতু আছে বড়ই মনোহর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, বদ্ধভুমি - বেলস  পার্ক   উদ্যান তোমারi মনডা নেবে কাড়ি।। বিবির পুহুর পাড়ে খামু ভাজাপোড়া যত সাতলার বিল পেয়ারা বাগান ঘুরমু মনের মত গুনাইবিবির পালা দেকমু, গৈলার রয়ানী দেকমু আরো হুনমু জারী।। https://www.youtube.com/watch?v=6muLLbmCiHE

বেয়াইনে আইছেন মোগো বাড়ি বেমালা দিনপর (বরিশালের আঞ্চলিক গান)

বেয়াইনে আইছেন মোগো বাড়ি বেমালা দিনপর আনন্দে আইজ খুশির গাঙ্গে কাডি যে হাতোর। বেয়াই সাবে দেইক্কেন যেন ডুইব্বা না যান গাঙ্গে তালই জানে দেইক্কা আইছি কাউফলা কচা ভাঙ্গে।। কিরপিন্নে যে দুরে থাহেন; মুই কি আমমের পর? চাঞ্চ পাইলে তো উইড্ডা আইবেন মাতার উফর ভুল বুইজ্জেন না, মুই ভাললোক,  আসেন আমার সঙ্গে।।  অকি আমমে হাত ধরেন ক্যা? আকামে কি চালে? বোজো না ক্যা (হোগা রাঙ্গা) বুলবুইল্লা ডাহে আমরার ডালে বোজাবুজির কাম নাই এহন আউগ্গাইয়েন না আর।। তোমার লইগ্গা কিন্না রাকছি চুরি গলার হার   বেশী গরজ অইলে পাডান মোর বাড়ি রায়বার মোর পরানডা আইটকা গেছে  তোমার গালের রোঙ্গে। ডুয়েট গান।।

হায়রে আমার পোড়া কপাল হইল একি দায়

হায়রে আমার পোড়া কপাল হইল একি দায় পোশা পাখি উইড়া গেছে অন্যেরই বাসায় সেত ডাকে অন্যের নাম লইয়া ভিন দেশেতে রয় পরিয়া আমি কান্দি দিবানিশি তাহারি আশায়।। কত দিলাম দানাপানি নিজে না খাইয়া আত্মীয় স্বজন ছাড়িলাম তাহারো লগিয়া এখন তাহার তরে একা হইলাম এই নিঠুর ধরায়।। ভেবেছিলাম তারেই আপন সব কিছু ছাড়িয়া (এখন) তাহার মায়ার গরল আমায় দিতেছে পুড়িয়া আমি পথে পথে ঘুইরা ঘুইরা করতাছি হায় হায়।।

তুমি আমার ধ্রুবতারা

তুমি আমার ধ্রুবতারা আঁধারে আলোর ইশারা হই না কভু পথহারা তোমায় লক্ষ্য করে; তুমিই আপন রাখবো তোমায় জীবন সাথী করে।। দেখব শুধু তোমায় আমি বলবো কথা গানে সারাটা দিন তোমার সাথে মিলবো প্রানে প্রানে যাবোনা গো কভু দূরে তোমায় একা ছেড়ে।। ঝড় যদিগো আসে; হাতটি ধরে আপন করে রাখবো বুকের পাশে। আকাশ যতই হোকনা কালো ঢাকুক মেঘে মেঘে কাঁটবে আঁধার আসবে আলো প্রেম সুবাতাস লেগে এমনি করেই কাটুক সময় গানের ভেলায় চড়ে।।

বন্ধু চল হাত ধরে

বন্ধু চল হাত ধরে চলে যাই অজানায় অচিনপুরে তুই যদি সাথী হোস নেই ভয় চলে যেতে অনেক দুরে।। সুনীল আকাশ চলার পথের সাথী হবে শান্ত নদী জল তপ্ত শরীরটা জুড়াবে উতল বাতাস মমতা মেখে বুলাবে পরশ সুরে সুরে।। আঁকাবাঁকাঐ মেঠো পথ গিয়েছে যেথায় দিগন্তে সেই স্বপ্ন সুখের নিলিমায় চল চলে যাই একসাথে সব মায়া বন্ধন ছিড়ে।।

তুমি সুখের পাখি সুখ সাগরে বিরাজ কর নিরবধি

তুমি সুখের পাখি সুখ সাগরে বিরাজ কর নিরবধি তুমি বল সুখের সাগর আমি দেখি মরা নদী।। তোমার কাছে যে বাতাসে বসন্তে প্রেম আসে আমার গৃহ ভাঙ্গে আবার উড়ায় সেই বাতাসে মধুর চাকের মধু তোমার, হুলটা আমার যদি তবে কেন বল সুখের সাগর, এযে মরা নদী।। হতভাগা এই আমি যে চিন্তাতেই হত দুঃখ আমার আপন আমি তারই অনুগত। আমি দুস্বপ্নে ঘুমাই আবার জাগি তারই মাঝে  সুখের কথা দুঃখ হয়ে আমার বুকে বাঁজে। কান্না নিয়ে খেলা খেলে বহাই দুখ জলধি।।

মানুষ তোমার মানুষ হতে আর কতটা বাকী

মানুষ তোমার মানুষ হতে আর কতটা বাকী তুমি পশুত্বকে বয়ে বেড়াও লজ্জা পাওনা নাকি? আবার তোমার অধীন সবাইকে দাও পশুর অধিকার তুমি মানুষ নামের কলঙ্ক তাই তোমাকে ধিক্কার।। তোমার হাতে নয় নিরাপদ অন্য মানুষ গুলো তুমি তোমার ইচ্ছে করতে পুরন রোষের আগুন জ্বালো  তোমার পথে যাওযে দলে কত তাজা প্রান তুমি দিনের সুখকে রাতের আঁধারেতে কর ম্লান তুমি ভাব সবাই যাক ভেসে যাক একাই হবে পার।। তুমি হাত ধরে যার উঠে দাড়াও তাকেই ফেল খাদে তুমি ভবিষ্যৎকে বিনাষ করো তোমার লোভের ফাঁদে তুমি নিজকে ভাবো অমর? যাবে চিরটাকাল লুটে? তোমার হাতেই হাজার স্বপ্ন আতুর ঘরেই টুটে তোমার মৃত বিবেক, অন্ধদৃষ্টি, অসভ্য আচার।।   তুমি অসহায়ের রক্ত নিয়ে অশ্রু নিয়ে খেল তুমি তোমারটাকেই আসল ভাব তুচ্ছ অন্যগুলো তুমি মানব বেশে মোদের দেশে এলে দানব রাজ তোমার মানব বেশ ই মানবজাতির জন্য এখন লাজ হোক তোমার বিনাষ, মানবতা জাগুক পুনর্বার।।

দোয়েল পাখি গান ধরেছে শাপলা হাসে জলে (জাতীয় বিষয়াবলী)

দোয়েল পাখি গান ধরেছে শাপলা হাসে জলে   কাঠাল সাহেব গন্ধ বিলান পেঁকে গাছের ডালে।। আম গাছেতে মুকুল আসে শীত কালেরি শেষে সুন্দরবনে বাঘ মামা যে হাটেন রাজার বেশে গরুর গাড়ি গ্রামের পথে হেলে দুলে চলে।। কবি কাজী নজরুল ইসলাম মোদের সবার প্রিয় ভাত খেতে যে ইলিশ মাছের এক টুকরো নিও মাঠে মাঠে কাবাডি খেলা চলে বিকেল হলে।।     সংসদ ভবন , সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কেন্দ্র সকল কাজে আমার সোনার বাংলা এ গান রাখি বুকের মাঝে বাইতুল মোকারমে নামাজ পড়ি দলে দলে।। https://www.youtube.com/watch?v=k4mtmyi6Nsc

আজকের এই দিন হোক শুভ দিন

আজকের এই দিন হোক শুভ দিন স্মৃতির পাতাতে যেন রয় অমলিন।। আজ হোক সাথে থাকা বসে পাশাপাশি  আজ হবে একসাথে ভালবাসাবাসি সবাই সমান মোরা কেউ নই হীন।। এক সাথে হাতে হাতে হোক একতা প্রানে প্রানে বয়ে যাক শুভ বারতা। আজ নব সূর্যের কিরন ছটায় এই গান মিলনের প্রসার ঘটায় এই দিন ফিরে যেন আসে বহুদিন।।

পথ হয়েছে পথের সাথী আজ হারিয়ে যাব

পথ হয়েছে পথের সাথী আজ হারিয়ে যাব দুচোখ যেথায় যায় চলে যায় সেখানে মিলাবো।। খোলা আকাশ ডাক দিয়ে কয় শোনরে বলি শোন তোমার সাথে আজকে হবে দেয়া নেয়া মন তোর মনের ঐ আকাশটাকে নীল রঙ্গে রাঙ্গাবো।। উতল হাওয়া মমতাতে জুড়াবে শরীর নরম রোদ আজ পথের ধুলায় ছড়াবে আবীর আজ প্রকৃতির মধুর পরশ আপন করে পাবো।।