Posts

Showing posts from June, 2021

কেন এমন করে তুমি বলো?

  কেন এমন করে তুমি বলো? আর একটু কোমল হলে   ক্ষতি কি বলো? জানিতো তুমি আর ফিরবে না।।   কোথা সে অসীম ভালোবাসা? কোথায় গেল সেই হাসি? সেই গান? সেই সুখের আশা? থেমে যাবে সব, সেতো মেনেছি আমি, জানি আর প্রেমসুখে ভাসবো না।।   একদিন সব থেমে যায় পৃথিবীর এই তো নিয়ম একদিন পর হয় যে ছিলো অতি প্রিয়তম।।   অকারনে ভাঙে যদি মন। জীবন শেষের আগে, যদি আসে শেষের সে ক্ষন। মেনে নেব সবকিছু, একটু হাসি যদি পাই, হোক তা তোমার করুনা।।

ও দয়াল তুমি শাস্তি দেবে কারে বলনা

  ও দয়াল তুমি শাস্তি দেবে কারে বলনা পাপী আর অনুতাপী ভিন্ন সময় ভিন্ন রূপী একই মানুষ ভিন্ন সময় কেমনে হয় একজনা?।।   যৌবনে রিপু তাড়িত ছিলাম যেই জন তুমিই বল; বার্ধক্যেতে আমি কি সেই জন? কারে তুমি শাস্তি দেবে? মন ভরা যার অনুশোচনা?।।   কাঠগড়ায় আনো যদি যৌবনের আমিরে পরিপুর্ন মানুষ তারে বলবে কেমন করে? সর্বোত্তম বিচারক তুমি; (আবার) তুমিই তো আপনজনা।।

দয়াল- অনেক খুজে পেলাম তোমায় ভক্তজনের অন্তরে

  দয়াল- অনেক খুজে পেলাম তোমায় ভক্তজনের অন্তরে ভক্ত যেমন তুমিও তেমন ভক্তের হৃদমাঝারে।।   ভক্ত গুনে তুমি রহিম তুমি রহমান তুমি খালেক তুমি মালেক সর্ব শক্তিমান। ভক্ত হৃদয় গড়ে তোমায়, যেমন চেনে নিজেরে।।   তুমি গড় তোমায় গড়ে, চলছে যে এই খেলা ভাঙা-গড়া নিয়ে খেলা চলছে সারাবেলা।   মনে ক্রোধ হিংসা নিয়ে যে তোমারে গড়ে; তাহার ক্রোধ নিয়েই তুমি শাস্তি দাও তাহারে! হাসান বলে তোমার লীলা কে বোঝে এই সংসারে?।।

লাখো শহীদের প্রানের মূল্যে

  লাখো শহীদের প্রানের মূল্যে পেয়েছি সোনার বাংলাদেশ বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ।।   রক্ত মূল্যে এসেছে এ স্বাধীনতা বহু ত্যাগ বহু তিতিক্ষার পরে এসেছে এ স্বাধীনতা। জীবন দিয়ে রাখবোই মান হে প্রিয় স্বদেশ।।   ভুলবো না মোরা লাখো শহীদের দান রক্ত দিয়ে এনে দিলো যারা এজাতির সম্মান।। গহীন অন্ধকারের মাঝে এনেছো আলোর রেশ। 

মায়ের মতন হয় না আপন এই জগতে আর

মায়ের মতন হয় না আপন এই জগতে আর মায়ের জন্য হইল চেনা জগত সংসার।।   নিজের মাঝে রাখলো তোমায় নয়-দশ মাসের তরে সব কিছু ত্যাগ করিয়া রইলো সে এক ঘরে প্রসবের যন্ত্রনার যেন জলন্ত অঙ্গার।।   বুকে দুগ্ধ দিয়া করলো লালন পালন আহার-নিদ্রা ত্যাগ করিয়া করিলো যতন নিজের কথা না ভাবিয়া, ভাবিলো তোমার।।   মা হইলো খোদার দেওয়া একটি নেয়ামত তাহার সেবা যত্ন করা বড় ইবাদত খোদার পরে তাহার স্থান, যতন করো তার।।

তুমি ভুল বুঝে আমায় ছেড়ে চলে গেলে দুরে

  তুমি ভুল বুঝে আমায় ছেড়ে চলে গেলে দুরে তোমার লাইগা পরান বন্ধু কান্দি সুরে সুরে।।   এই কান্দন শুনে সবাই বলে মধুর গান   তোমার বিলাপে হায়রে কান্দে আমার প্রান কান্দি আর তোমারে খুঁজি দিগ-দিগন্ত ঘুরে।।   গানে গানে বেধেছিলাম ভালোবাসার সুর তোমার সঙ্গে গেয়েছি গান কত সুমধুর সে সুর এখন কণ্ঠে আমার কান্না হয়ে ঝরে।।   আর কি হবে তোমার সঙ্গে দেখা কোনদিন? দিন ফুরিয়ে চিরনিদ্রার সময় সমাসীন হাসান বলে দেখা দিও মরনের পরে।। x

তোরে ছাড়া কেমমে বাঁচি, প্রানে তো আর সয়না

  তোরে ছাড়া কেমমে বাঁচি, প্রানে তো আর সয়না মোরে দেইক্কা তোর কিরে হায় কোন মায়া হয় না।।   আমার এই কইলজার মইদ্দে হরো বসবাস আমি চোখ বুজলে তোরেই খালি দেহি বারো মাস   চোখ খুললে নাইরে পাশে (আমার) ভালোবাসার ময়না।।   না যদি তুই আমার হবি কেন দিলিরে দেহা তোরে দেইক্কা এই কপালে দুঃখ হইলো লেহা   যতই মুছি বিধির লিখন (হায়রে) বুঝি মোছা যায়না।।

গাঙ্গে যামু মাছ ধরতে মোরা হগলডি (আইজ)

গাঙ্গে যামু মাছ ধরতে মোরা হগলডি (আইজ) নদীর পারের জাইল্লা মোরা মাছ ধরমু নৌকা ভরা হেই খুশিতে নাচি মোরা, বোঝলা ও ভাইডি?।।   ঝড় বইন্না যতই থাহুক মোরা ডরাই না কোন কিছুর ভয়ে কিন্তু মোরা পলাই না ঢেউয়ের লগে যুদ্ধ করি শক্ত হাতে বৈডা ধরি মাউচ্ছা পাগলডি।।   ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরি আরো কতো মাছ হারাডা রাইতে জোয়ার ভাডায় চলে ঢেউয়ের নাচ সুখ দুঃখের/ভটিয়ালী গানে গানে ভাইস্যা চলি স্রোতের টানে মোরা ব্যবাকডি।।   বউ, পোলা-পান, নাতি-নাতকুর পাড়া-প্রতিবেশী সবাইর লগে মিল্লা-মিশ্যা থাহি হাসিখুশি নদী ভাঙ্গন হইলে শুরু বুকটা হরে দুরু দুরু ডউরয়া পরানডি।। কথা ও সুর: জহুরুল হাসান সোহেল  

ও বরষা! আষাঢ় - শ্রাবন পেড়িয়ে গেল।

  ও বরষা! আষাঢ় - শ্রাবন পেড়িয়ে গেল। তবু এই মনের আকাশ কেন সরসা?।।   তুই কি আমার প্রাণের সখা তুই কি আপনজন এই বুকেতে দুঃখ কি তুই করেছিস সৃজন। তাই কিরে এই পোড়া চোখের তুই ই ভরসা।।   কত রঙ্গে কত রুপে কত ফুলে সাজিস! কুল ছাপিয়ে অকুল পানে, সব নিয়ে তুই ভাসিস। দেয়া নেয়ার খেলায় যে তুই মাতিস সহসা।

এসোনা; বৃষ্টিতে ভিজি সারাদিন

এসোনা; বৃষ্টিতে ভিজি সারাদিন। হয়তো আবার; আসবে কি আসবে না এ মধুর দিন।।   বাঁধন খুলে আজ মনে আকাশে মেঘ হয়ে ভাসি চল, মাতাল বাতাসে   জমে থাকা যন্ত্রনা হোক বিলীন।।   ধুয়ে মুছে যাক সব, নতুন করে পরমানন্দে মন উঠুক ভরে। মিটে যাক লেনাদেনা হিসেবের ঋন।।

মিডা কতা কইয়ারে মনে মায়া লাগাইয়া

  মিডা কতা কইয়ারে মনে মায়া লাগাইয়া কোম্মে গেলা পরান বন্ধু মোরে ছাইরয়া।।   ভ্রমর যেমন ফুলের ধারে আয়রে মধুর টানে হেইরহমই আইয়া মারলা মোরে  ভালোবাসার বানে   বুঝিনাই ছলনা তোমার, পরছিরে প্যাচাইয়া।।   বুঝিনাইরে মায়ায় বন্ধুর আছে বিষের জ্বালা হেই বিষেরই জ্বালায় রে মুই হইলাম ঝালাপালা   সুযোগ পাইলে জ্বালা তোমায় দিতামরে বুঝাইয়া।। https://www.youtube.com/watch?v=rEafxUo_0es

জোর কইরয়া কি কোন কতা কাউরে বুজান যায়

জোর কইরয়া কি কোন কতা কাউরে বুজান যায় জাইগ্গা ঘুমাইলে কি আর ঠেইল্লা উডান যায়।।   যতই হ্যারে বুজাবা হে কইবে আমি জানি তালগাছটা আমার, কিন্তু  আমি শালিস মানি। ডায়াবেটিস পোনরো কিন্তু, চিনিদ্দা চা খায়।।   পোত ছারে না, হাডেও না থাহে খারাইয়া খয়রাতি না তবুও থাহে হাত বাড়াইয়া মইরয়া গেলেও খাইচলত কি কোন মানের যায়? x

খামু বাইষ্যা হালে মরিচ দিয়া ডউয়া বানানি

খামু বাইষ্যা হালে মরিচ দিয়া ডউয়া বানানি চত্তির মাসে টেংগা দিয়া মোচরা গাদানি।।    বৈশাখ মাসে কাচা আম ঝিনইয়ে কোরাইয়া কাচা মরিচ, কৌররা তেল আর নুন দিয়া মাহাইয়া আরো আছে খুবই মজার জাম ঝাহানি।।    মাদার ফুল আর পাহা তেতুল চাটতে মজা ভাই কামরাঙ্গা, কাউ, করমচা আর আমড়ার জুড়ি নাই। কচকইচ্চা গইয়া দেকলে মুহে আয় পানি।।    ফাল্গুন মাসে চুক্কা বড়ই খাই কাচা নুন নিয়া মাঘ মাসে চাইলতা ছ্যাচা মরিচ মিডা দিয়া এসব খাইতে যাইয়া কত খাইছি প্যাদানি। সুর: জহুরুল হাসান সোহেল বেতারে রেকর্ডিং- ০৬/০৭/২০০৩

তুমি নেই বলে সারাটি দিন তোমায় মনে পড়ে।

  তুমি নেই বলে সারাটি দিন তোমায় মনে পড়ে। তুমি নেই বলে আকাশ ভেঙ্গে শুধুই বৃষ্টি পড়ে।।   তুমি নেই বলে ভেজা বাতাস তোমার পরশ বোলায় তুমি নেই বলে মেঘলা আকাশ তোমার ছায়া দোলায় তুমি নেই বলে বিষণ্ণ শ্রাবন অঝর ধারায় ঝড়ে।।   তুমি নেই বলে সূর্য্যের হাসি মেঘের আড়ালে লুকায় তুমি নেই বলে কেয়া, জুঁই কদম ফোটে আবার শুকায় তুমি নেই বলে পিপাসিত মন বিষণ্ণতায় ভরে।।

ভাদ্দর মাসের এইনা দিনে তাল পাহাইন্না গরমে

  ভাদ্দর মাসের এইনা দিনে তাল পাহাইন্না গরমে মনের দুঃখে মনের মাইদ্দে আইঙ্গা ওডে চরমে। পালঙ্গে মুই এলহা ঘুমাই বাতাস করার মানুষটা নাই নাইওর গেছে মোর বউ মুই মরতে আছি মরমে।।   হে অইলে মোর আন্ধার ঘরের পুন্নিমারই চান আমি অইলাম চুন সুবারি হে অইলে মোর পান পরশু গেছে, আইজগোই আনতে যাইতায়ারিনা শরমে?   যাওয়ার সোমায় কইয়া গেছে থাকপে রে এক মাস না কিন্না শাড়ি চুরি, (মনে কয়) খাইছি বররা বাঁশ।।   কিনমু আলতা শাড়ি চুড়ি আইজগো হাডে যাইয়া সব লইয়া আনতে যামু কাইল রওয়ানা দিয়া কান ধরছি এমন কাম আর হরমুনা এই জরমে।।

প্যাডোর প্যাডোর বিষ্টি পরে মাস চলে আষাঢ়

প্যাডোর প্যাডোর বিষ্টি পরে মাস চলে আষাঢ় মাছ ধরইয়া আওয়ার কালে ভরা দুহাইরয়া হালে খাইছিরে পাছার।   পুহুর পারের পিছলা কাদায় যেইনা দিছি ঠ্যাং আচুক্কাঐ ঠ্যাংগের নিচে পড়ছে কোলা ব্যাং। ঠ্যাং সরাইতে যাইয়া দৌর দিছিরে ছ্যারছ্যার।।   আইজগো খামু খেচুরি আর ইলিশা ভাজা ঝোল পোড়া মচির আচারের তেল মুহে আনে লোল আষাঢ় মাসের কোলার কইমাছ খাইতে খুব মজার।

এই দুনিয়ার রঙের মেলায় মানুষ কিযে চায়?

  এই দুনিয়ার রঙের মেলায় মানুষ কিযে চায়? খালি হাতে আসে মানুষ খালি হাতে যায়।।   স্বপ্ন চোখে পাহাড় সমান আছে দেহে বল ছুটে বেড়ায় জগত জুড়ে সুধুই নিস্ফল নিচের দিকে চায়না মানুষ চায় খালি চায় যতই পায় ।।   কেন আইলা এই দুনিয়া ভাবছ নাকি কভু কতকি দেখিলা, কিছু বুছলানারে তবু? হাসান বলে কানায় কি আর সাধু বাক্য শুনতে পায়?।।

হলুদ সাংবাদিক

রাজাকার নুরার পোলায় লোকাল সাংবাদিক এহন এরে মারে অরে ধরে, হাডে দিগ্বিদিক।।   সন্ধ্যা হইলে মেতর পট্টির দুই গেলেস চোলাই । গলার ভিতর ঢাইল্লা ভাবে করবে কার ধোলাই?     কারে করবে বেলাকমেইল আর তোলবে মিথ্যা পিক।।   দৈনিক পত্রিকাটি তাহার ছাপায় মাঝে মাঝে কেউ কেনেনা, নিজ খরচায় পাঠায় সবার কাছে খোট ধরা আর কাগজ বেচা, এই চলে দৈনিক।।   সবাই তারে এড়াইয়া যায় কেউ ডাকে কাছে সবার পাছায় আঙ্গুল দিতে, সে ঘোরে সবার পাছে সবাই জানে সে যে একজন হলুদ সাংবাদিক।।

আমার ভাল্লাগেনা কিছুই

  আমার ভাল্লাগেনা কিছুই শুধু তোর কথা মনে পড়ে (আমি) দিবা নিশি খুঁজি ফিরি পরান বন্ধু তোরে।   দিনে খুজি রাইতে খুজি ঘুমে জাগরনে। অপেক্ষা ঘুচিবে কবে মিলবো বন্ধুর সনে। নাইরে কোথাও কোন আশা। মিলবে কি রে বন্ধুর দিশা? কেমনে পাব তারে?   এই মনে হয় এই তো তুমি আবার দেখি নাই। এদিক সেদিক ঘুরে মরি কোথাও নাহি পাই সকলি হায় রঙিন ফানুষ হাসান বলে মনের মানুষ মনেই বসত করে।। x

তুই মানুষ নামের জড়বুদ্ধি (দুর্নীতি বিরোধী গান)

  তুই মানুষ নামের জড়বুদ্ধি, ভাবিস নিজে খুব সেয়ান! এই দুনিয়ায় বাঁচবি কয়দিন সময় থাকতে কর ধেয়ান।।   দুই দিনের ওই ক্ষমতাতে করিস রে ‍দুর্নীতি অন্ধ হয়ে বাপের ঘরে করিস রে ডাকাতি নষ্ট করিস সেই কাচারি যেই কাচাররি তুই দেওয়ান।।   সময় থাকতে ভাব দেখি তুই, কোনখানে পলাবি সবাই তোরে চোর বলিবে, চোরের খেতাব পাবি বলবে তোদের চোরের গুষ্টি হারাবি সব মান সম্মান।।   মনে মনে মিথ্যা রাজা মিথ্যাতে হারাবি বয়স, সময় সব হাড়িয়ে শুন্যতে দাড়াবি হাসান বলে সময় গেলে ফুস করে যাবে পরান।

নাই তুমি নাই

  নাই তুমি নাই এ ধরায় আনন্দ নাই।।   সেদিন বিদায় বেলা মেঘ রোদ্দুর খেলা মরুতে মরিচিকায় তৃষ্ণা মেটাই।।   কতো যে স্মৃতির ভীড় কতো যে আশার নীড় ভেঙে যায় দুরাশায় আশার স্বপন।   আসবে আবার কভু বাসনায় মন তবু অজানার পানে আশা তরণী ভাসাই।।

তোমার আগমণে কানন ভরুক ফুলে-ফলে

  তোমার আগমণে কানন ভরুক ফুলে-ফলে ভ্রমন গুঞ্জরনে। সু-স্বাগতম হে অতিথি সু-স্বাগতম।। সু-স্বাগতম হে প্রিয়জন সু-স্বাগতম।।   তুমি দৃপ্ত হস্তে জ্বালাও শিখা অনির্বান তুমি মুক্তি মন্ত্রে জাগাও সকল সুপ্ত প্রাণ হোক দিগন্ত উদ্ভাসিত তোমা হতে হে প্রিয়তম।।   তুমি কঠোর হস্তে সরাও সকল জঞ্জাল আনো সুস্থ্য চিন্তা, শুদ্ধ হোক এ মহাকাল তুমি সকলের হৃদয়ে হও বিজয়ী হে অনুপম।