Posts

Showing posts from October, 2017

বৈশাখ এলো বছর ঘুরে

কাঠির বারি ঢাকের উপর’ ঢোল বাজে ঐ ঢুমুর ঢুমুর চলছে যে আজ দলে দলে; ছেলে বুড়ো সবাই মিলে ওল্ড ফ্যাশান জীর্নজরা; পিছন ফেলে আয়রে ত্বরা নেই ভেদাভেদ কারো মাঝে; সবার মনে এ সুর বাজে  আজ বাঙ্গালীর হৃদয় পুরে ............................. বৈশাখ এলো বছর ঘুরে।। বোশেখ মেলায় ভেপুবাশী বাতাশা আর কদমা মিঠাই নানান রঙ্গের নুতন জামায় সেজেগুজে আয়রে বিলাই হাল খাতাতে বাকীর পাতায় চুকাবো আজ লেনা দেনা চৈত্র মাসের খড়ার শেষে জুড়াবো আজ শরীর খানা কালবৈশাখী ঝড়ের তোড়ে............................. বৈশাখ এলো বছর ঘুরে।।।। একতারা দোতরা খমক সারিন্দা মন্দিরা কাশী খঞ্জনী কাস ঢোলক মাদল চিকন বাঁশের রাখাল বাশী বাজরে আজ প্রানটা খুলে খোলা মাঠে মেলার ভীড়ে নামুক যে আজ খুশীর জোয়ার সব বাঙ্গালীর সুখের ঘরে বাজারে বাজা তুই জোড়ে............................. বৈশাখ এলো বছর ঘুরে।।।।

গল্প শোনাও দিদিমা

ঝিঝি ডাকা দুপুর বেলা কিংবা আঁধার রাতে পিদিম খানা নিভিয়ে রেখে সুয়ে সুয়ে খাটে জড়িয়ে ধরে বুকের মাঝে তাল পাখাটা নেড়ে পানের গন্ধে মন মাতিয়ে, অপার্থিব স্বরে গল্প শোনাও দিদিমা গল্প শোনাও, সপ্ন দেখাও দিদিমা সপ্ন দেখাও।। তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে রাজকন্যার দেশ ঘোড়ায় চড়ে উড়িয়ে ধুলো কত কষ্ট ক্লেশ কেমন করে রাজপুত্তুর যেত সেথায় চলে সোনার কৌটোর ভ্রমরটাকে পায়ের নীচে দলে দানবটাকে হাড়িয়ে দিয়ে পঙ্খীরাজে চড়ে রাজকন্যাকে ফিরিয়ে আবার আনত নিজের ঘরে সেই গল্প শোনাও দিদিমা গল্প শোনাও, সপ্ন দেখাও দিদিমা সপ্ন দেখাও।। শুনতে শুনতে কখন যেন যেতাম ঘুমিয়ে উড়িয়ে ধুলে ঘোড়ায় চরে যেতাম রাজপুত্র হয়ে বহুদিন বহু দিন হয়ে গেছে হয়েছি অনেক বড় চোখ থেকে আজ হাড়িয়ে গিয়ে সে সপ্ন হয়েছে পর খুব ইচ্ছে করে বুকের ভেতর আর একটি বার  তোমার কোলে সুয়ে সুয়ে সপ্ন দেখি আর একটি বার গল্প শোনাও দিদিমা আর একটি বার, সপ্ন দেখাও দিদিমা আর একটি বার গল্প শোনাও দিদিমা গল্প শোনাও সপ্ন দেখাও দিদিমা সপ্ন দেখাও ।। সুরকার: জগলুল হায়দার https://www.youtube.com/watch?v=9BPXgPc8QzA

ইচ্ছে গুলো ইচ্ছে মত

ইচ্ছে গুলো ইচ্ছে মত বেড়ায় ঘুরে চেনা পথে কখোনো কখেনো অচিনপুরে দুর হতে ভেসে আসা খুব চেনা সুরে না হয় হঠাৎ কোন চেনা চেনা স্বরে   মাঝে মাঝে কখোনো ফেলে আসা দিন গুলো খুব বেশী মনে পরে তখন বুকের মাঝে স্মৃতির সুতোর টানে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে।। সাঝের বেলায লুকোচুড়ি খেলায়, অথবা কোন বৈশাখী মেলায় অথবা দুরন্ত কৈশোরে অথবা তোমার কাছে, সেই ক্ষনটির মাঝে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে।। জোছনার রাতে কবিতা লেখায় হাজার তারার সাথে কথা বলায় অথবা অনন্ত অসময়ে মনের সকল কথা প্রিয় বন্ধুকে বলার জন্য ফিরে যেতে ইচ্ছে করে।। সোহেল ৩০/০৭/০৭

ওয়ান টাইম বেটারিতে

ওয়ান টাইম বেটারিতে কেন বানাইলা ইঞ্জিন চার্জ ফুরায়ে যায়রে আমার ফুরায় যত দিন।। মডেল নম্বর কেউ যানেনা ঘুরলাম রে সারা দুনিয়া এই বেটারি গুঢ় তথ্য না জানে এই অর্বাচীন।। রিচার্জেবল হইত যদি না ভাবিতাম নিরবধি চিন্তায় চিন্তায় সময় গেল জীবন হইল কর্মহীন।। হাসান বলে আছে যে চার্জ তাতেই তুমি কর সু কাজ তাহলেই তুমি ধন্য তোমার জীবন অন্তহীন।।  সোহেল ১৪/০৬/০৭

অভিমানী প্রিয়া তুমি কেন গেলা ছাড়িয়া

অভিমানী প্রিয়া তুমি কেন গেলা ছাড়িয়া বুকটা আমার খা খা করে তোমার লাগিয়া ফিরা আসো বন্ধু তুমি এই মন তোমায় চায় যাইয়ো না যাইয়ো না কন্যা ছাড়িয়া আমায়।। ভালবাসি ভালবাসি কত তুমি দেখলা না একটুখানি ভুল কইরাছি তাও তুমি ভুললা না বুঝলানা বুঝলানা তুমি এ মনটারে হায় যাইয়ো না যাইয়ো না কন্যা ছাড়িয়া আমায়।। মনের ই ফুল দানিতে একটা তুমি গোলাপ ফুল মনটা যদি খালি থাকে তাও হবে বড় ভুল ফিরা আসো বন্ধু তুমি আমার পরান যায় যাইয়ো না যাইয়ো না কন্যা ছাড়িয়া আমায়।। সুরকার: জহুরুল হাসান সোহেল https://www.youtube.com/watch?v=joP5lJ9Z1D8 ১৮/০৫/০৭

রিমঝিম এই বরষার দিনে

রিমঝিম এই বরষার দিনে, গুড়ু গুড়ু মেঘের গর্জনে, মন কি যে চায় হাড়ানো সুর ফিরে ফিরে আসে, ভেজা ভেজা দখিনা বাতাসে, তুমি কোথায় এসো গো প্রিয়া, মন তোমাকে তোমাকেই চায়, তোমাকেই চায়।। আমায় ছেড়ে থাকো কি ক’রে দুরে এমন দিনে প্রিয়া থেকোনা সরে তুমি ছাড়া আমি, আমি ছাড়া তুমি, ভালকি দেখায়।। কখোনো কখোনো কেন হয় না এমন মন চায় যা কিছু তা ঘটবে তেমন কাছে আসো তুমি, ভালবাস তুমি, জড়িয়ে আমায়।। সোহেল ১৮/০৫/০৭

ভালবাসি বন্ধু আমি

ভালবাসি বন্ধু আমি কত তোমারে আমি জানি আরো জানে আমার অন্তর্জামীরে।। ভালবাসা নদী দিয়া বুকের ভিতর বান দিয়া করিলা তুমি বন্ধ তার দুই পার উথাল পাথাল ঢেউয়ে ঢেউয়ে  বুক যায় আমার ভেঙ্গে রে।। . নদী আমার শুকায়ে যায় জলে আগুন জ্বলে নেভে না নেভে না যত ভাসাই চোখের জলে প্রান থাকেনা বুকের ভিতর তুমি গেলে দুরে রে।। পুর্নমুখীর চাঁদ আকাশে দুনিয়া আন্ধার জানিনা কবে শেষ হবে আমার এই কান্দার হাসান বলে কেঁন্দে কেঁন্দে  কেন ছেড়ে গেলে রে।।

দাঁড়াও বন্ধু

মুখরিত রাজপথ বসে আমি একা, দুর হতে এক চেনা মুখ দিল দেখা মনে হয় সবচেয়ে আপন সে জন চোখ গ্যাছে ভুলে তবু চিনেছে এই মন দাঁড়াও বন্ধু কথা আছে, দাঁড়াও, দাঁড়াও কথা আছে ।। মনে কি পড়ে না স্কুলের মাঠে গলা ছেড়ে গান গাওয়া জোছনার রাতে ডিঙ্গি নৌকা সারা রাত ধরে বাওয়া। যুথীর বাড়ির সামনের মাঠে দুজনার বসে থাকা রোজ বিকেলে নদী তীরে বসে সপ্নের ছবি আঁকা দাঁড়াও বন্ধু কথা আছে, দাঁড়াও, দাঁড়াও কথা আছে ।। ভুলে কি গেছ? কথা ছিল আজীবন থাকবো একসাথে ভুলে কি গেছ আরো কত কথা ছিল দুজনের মাঝে। তাকাও আমার দিকে দেখ চিনতে পারো কিনা মনে কর এই বাল্যবন্ধুকে, অনেক কথা আছে জমা দাঁড়াও বন্ধু কথা আছে, দাঁড়াও, দাঁড়াও কথা আছে।। সুরকার: জগলুর হায়দার ০৯/০৫/০৭

তোমার কাজল চোখের চাউনিতে

তোমার কাজল চোখের চাউনিতে এ মন প্রেমের হাওয়ায় ভাসে তোমার এক কথাতেই কাঁদে এ মন আর কথাতে হাসে।। তুমি কিযে জাদু জানো কাছে এলে দুরে সরাও আবার কাছে কাছে টানো আড়াল হয়ে থাকো তুমি চাইলে তোমায় পাশে।। ওগো কেমন তোমার খেলা আঁধার রাতে কাঁদাও তুমি আবার হাসাও সকাল বেলা এমনি করেই তুমি আমায় ঠেলছো সর্বনাশে।। সুরকার: জহুরুল হাসান সোহেল

নাড়ী ছেড়া ধন আমি তোর

নাড়ী ছেড়া ধন আমি তোর কেমনে ভুলি তোরে ভাবিতে পারিনা আমি একদিন যাবি ছেড়ে।। আমি যদি তোর আগে যাই, আমার দুঃখ নাই খুজে পাইনা তোর কষ্টরে কি দিয়ে ঘুচাই ধন্য আমি তোরে পেয়ে জনমের তরে ।।  আদরীনি মা জননী ভালবাসি তোরে তোরই জন্য শুন্য ধরা আছে আমার ভরে। অসুখ-বিসুখ, সুখে-দুখে সদাই আছো পাশে ভয়ে আছি, কি হবেরে সেদিন যদি আসে হাসান বলে জনম জনম মা আমি চাই তোরে।।   সুরকার: জহুরুল হাসান সোহেল https://www.youtube.com/watch?v=G_5lqjRov6c